শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দানবীয় ব্যাটিং করে আউট হলেন মাহমুদুল্লাহ

প্রস্তুতি ম্যাচে শ্রীলংকা প্রেসিডেন্ট একাদশের বিপক্ষে দুর্দান্ত সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন ওপেনার তামিম ইকবাল। এছাড়া রান পেয়েছেন মুমিনুল হকও। তবে অলরাউন্ডার মাহমুদুল্লাহ বিয়াদও দানবীয় ব্যাটিং উপহার দিয়েছেন দলকে।

বৃহস্পতিবার শ্রীলঙ্কা প্রেসিডেন্ট ক্রিকেট একাদশের বিপক্ষে টস হেরে ব্যাটিং করছে বাংলাদেশ। দলের হয়ে ওপেনিং করতে নেমে দারুণ সূচনা করেছিলেন তামিম ইকবাল ও সৌম্য সরকার।

সৌম্য ও তামিমের ব্যাটে ভালোই জবাব দিচ্ছিল বাংলাদেশ। তবে দশম ওভারে এসে বিপত্তি ঘটে। ব্যক্তিগত ৯ (২২ বল) রানে থাকা সৌম্য সরকার লঙ্কান পেসার সামারাকনের বলে ক্যাচ আউট হন।

দলের রান তখন ২৬ রান। সেখান থেকে মমিনুল ও তামিমের ব্যাটে ঘুরে দাঁড়ায় বাংলাদেশ দল। ওপেনার তামিম দেখে শুনে
খেললেও মমিনুলের ব্যাট থেকে ধারাবাহিক ভাবে চার আসতে থাকে।

মমিনুল-তামিম জুটিতে ইনিংসের ২৮তম ওভারে বাংলাদেশের স্কোর শত পার হয়। ৩০ ওভারে ১০৭ রান নিয়ে লাঞ্চে যায় বাংলাদেশ। তামিম ৩৮ ও মমিনুল ৪৮ রানে অপরাজিত থেকে লাঞ্চের খেলা শুরু করে।

বিরতির পর দুই বাঁহাতি ব্যাটসম্যানই অর্ধশত তুলে নেন। অর্ধশত হাঁকানোর পর তামিমও হাত খুলে খেলতে থাকেন। কিন্তু ইনিংসের ৪২তম ওভারে মমিনুল রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে উঠে যান।

মাঠ ছাড়ার আগে ১০৩ বলে ১০টি চারের সাহায্যে ৭৩ রান করেন মমিনুল। পরবর্তীতে মুশফিকের সাথে জুটি গড়েন তামিম ইকবাল।

দারুন খেলে সেঞ্চুরির পথে এগোতে থাকেন এই টাইগার ওপেনার। সেঞ্চুরি তুলে নিতে একই ওভারে তিন ছয় ও এক চার হাঁকান ওপেনার তামিম। সেই সাথে দলের স্কোর দুইশ ছাড়ান তিনি।

তামিম এক প্রান্ত ধরে দারুন খেলে গেলেও মুশফিক ৩৭ বল খেলে ২১ রান করে সাজঘরে ফিরে যান। চা পান বিরতিতে বাংলাদেশের স্কোর দাঁড়ায় ৫৯ ওভারে ২৬৪ রান তিন উইকেটে।

চা পান বিরতির পর ব্যাট করতে নামেন নি ১৩৬ রানে অপরাজিত থাকা তামিম ইকবাল। ১৮২ বল খেলে নয়টি চার ও সাতটি ছয়ের সাহায্যে এই রান করেন টাইগার ওপেনার।

সাকিব ও মাহমুদুল্লাহ ছোট জুটি গড়ে দলের স্কোর তিনশো পার করেন। তবে সাকিব আল হাসান ৩০ রান করে আম্বুলদানিয়ার বলে লেগ বিফরের ফাঁদে পড়েন। ৩টি চার ও ২টি ছক্কার সাহায্যে ৪৩ রান করে আউট হন মাহমুদুল্লাহ। এরপর ১ করে সাজঘরে ফিরেন মিরাজ।

শেষ খবব পাওয়া পর্যন্ত ৮৬ ওভারে বাংলাদেশের স্কোর ৩৬৯ রান ৭ উইকেটে। ক্রিজে এখন লিটন দাস ৩৯ ও তাইজুল ০ রানে অপরাজিত আছেন।

১০০তম টেস্ট উপলক্ষে জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের যে বিশেষ উপহার দেবে বিসিবি

২০০০ সালে টেস্ট ক্রিকেটাঙ্গনে যাত্রা শুরু করা বাংলাদেশ দল শততম টেস্ট খেলতে এখন শ্রীলঙ্কায়। এই সফরে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ দল। সিরিজের দ্বিতীয় টেস্ট ম্যাচটি বাংলাদেশ দলের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ন। কারণ সেটা বাংলাদেশের শততম টেস্ট ম্যাচ।

আগামী ১৫ মার্চ কলম্বোর পি সারা ওভাল স্টেডিয়ামে
বাংলাদেশের শততম টেস্ট ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে। এই টেস্টকে স্মরনীয় করে রাখতে পরিকল্পনা আটছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।

শততম টেস্টটকে ঘিরে বিসিবির পরিকল্পনার কথা জানিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) মিডিয়া কমিটির পরিচালক জালাল ইউনুস বলেন,‘শততম টেস্ট উপলক্ষ্যে দলের খেলোয়াড়দের দেওয়া হবে স্মারক ক্যাপ ও স্মারক ক্রেস্ট।’

বাংলাদেশের শততম টেস্ট ম্যাচটি দেশের মাটিতে হলে এই ম্যাচকে স্মরনীয় করে রাখতে সম্ভাব্য সবকিছুই করার ছিলো বিসিবির। তবে দেশের বাইরে হওয়ায় সেটা বিসিবির হাতে নেই। তবে এই টেস্টকে স্মরনীয় করে রাখতে জাকজমপূর্ন করার জন্য শ্রীলঙ্কান ক্রিকেট বোর্ডকে অনুরোধ করেছে বিসিবি।

 

তামিম-মুমিনুলের ঝড়ের পরে ব্যাটিং তাণ্ডব দেখালেন লিটন দাস

আগামী ৭ মার্চ প্রথম টেস্টে মাঠে নামার আগে আজ থেকে প্রস্তুতি ম্যাচে মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ দল। টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ৭ উইকেট হারিয়ে ৩৯১ রান তুলে প্রথম দিন শেষ করেছে বাংলাদেশ।

তামিম ইকবাল মুমিনুল হকের ব্যাটিং তাণ্ডবের পরে ব্যাট হাতে নিজের কেরামতিও ঝাড়লেন লিটন দাস।
৫৭ রান করে অপরাজিত আছেন তিনি। সঙ্গে অপরাজিত আছেন তাইজুল ইসলাম ৪ রানে। তারা দুজন দ্বিতীয় দিনে ব্যাট করতে নামবেন।

বাংলাদেশের ৩৯১ রানের ইনিংসে সবচেয়ে বড় অবদানটি রেখেছেন তামিম ইকবাল। তিনি ১৮২ বলে ৯ চার ও ৭ ছক্কায় ১৩৬ রান করে রিটায়ার্ড আউট হয়েছেন। এরপর মুমিনুল হক ১০৩ বলে ১০টি চারের সাহায্যে ৭৩ রান করে রিটায়ার্ড আউট হন।

এরপর সাকিব আল হাসান ৩০ ও মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ ৪৩ রান করে আউট হন। ৬৪ বলে ১০টি বাউন্ডারি হাঁকিয়ে ৫৭ রান নিয়ে অপরাজিত থাকেন লিটন দাস। এ ছাড়াও আউট হয়েছেন সৌম্য সরকার (৯), মুশফিকুর রহিম (২১), মেহেদী হাসান মিরাজ (১)।

 

সবকিছুর ঊর্ধ্বে আমার বাংলাদেশ: এনামুল হক

পিসিএলের ফাইনালে বাংলাদেশের একজন থাকবেন- গতকাল রাতেই মিলেছিল এমন আভাস। গতকাল ক্রিকেট অপারেশন্স কমিটির চেয়ারম্যান আকরাম খান বলেছিলেন এমন কথা। এমনকি মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যানও বলেছিলেন এটা।

তবে এ কথার সত্যতা জানা গেল এনামুল হক বিজয়ের কাছ থেকেও। নিজেই স্বীকার করলেন পিএসএলে খেলার প্রস্তাবটা তিনি পেয়েছেন। তবে বিষয়টি তিনি ঠেলে দিয়েছেন বিসিবির কোর্টে। বোর্ড অনুমতি দিলেই পাকিস্তান যাবেন এ উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান।

বিজয় বলেন, ‘হ্যাঁ,
আমাকে পিএসএলে খেলার প্রস্তাব দিয়েছে। তবে বিসিবি আমাকে যা বলবে আমি তা করবো। আমাকে যদি অনাপত্তিপত্র (এনওসি) দেয় তাহলে আমি খেলতে যাব। তবে বিষয়টি এখন সম্পূর্ণই বিসিবির ওপর নির্ভর করছে। কারণ সবকিছুর ঊর্ধ্বে আমার বাংলাদেশ। তাই বোর্ডের অনুমতি ছাড়া কিছু করব না।’

বিজয়কে পাকিস্তান যেতে দেয়া হবে কিনা? এ বিষয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) কি মতামত? –প্রশ্ন রাখা হয় অপারেশন্স কমিটির চেয়ারম্যান আকরাম খানকে।

এদিকে, আকরাম খান বলেন, এটা আমাদের ব্যাপার না, এটা বিজয়ের ব্যক্তিগত ব্যাপার। কারণ বিজয়কে ব্যক্তিগতভাবে আমন্ত্রণ জানিয়েছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। এখন ও ওইখানে যাবে কিনা সেটা ওর সিদ্ধান্ত। তবে হ্যাঁ এটা আমরা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে দেখব।

আজ বিকেলে বিসিবি কার্যালয়ে যাবেন বিজয়। সেখানে বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন থাকতে পারেন বলে জানা গেছে। সেখানেই আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে পাকিস্তান যাওয়ার জন্য বিজয়কে এনওসি দেয়া হবে কিনা।

 

মাহমুদুল্লাহ ও লিটনের ব্যাটিংয়ে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৩১৬ পার করল বাংলাদেশ

শ্রীলঙ্কা প্রেসিডেন্ট ক্রিকেট একাদশের বিপক্ষে টস হেরে ব্যাটিং করছে বাংলাদেশ। দলের হয়ে ওপেনিং করতে নেমে দারুণ সূচনা করেছিলেন তামিম ইকবাল ও সৌম্য সরকার।

সৌম্য ও তামিমের ব্যাটে ভালোই জবাব দিচ্ছিল বাংলাদেশ। তবে দশম ওভারে এসে বিপত্তি ঘটে। ব্যক্তিগত ৯ (২২ বল) রানে থাকা সৌম্য সরকার লঙ্কান পেসার সামারাকনের বলে ক্যাচ আউট হন।

দলের রান তখন ২৬ রান। সেখান থেকে মমিনুল ও তামিমের ব্যাটে ঘুরে দাঁড়ায় বাংলাদেশ দল। ওপেনার তামিম দেখে শুনে খেললেও মমিনুলের ব্যাট থেকে ধারাবাহিক ভাবে চার আসতে থাকে।

মমিনুল-তামিম জুটিতে ইনিংসের ২৮তম ওভারে বাংলাদেশের স্কোর
শত পার হয়। ৩০ ওভারে ১০৭ রান নিয়ে লাঞ্চে যায় বাংলাদেশ। তামিম ৩৮ ও মমিনুল ৪৮ রানে অপরাজিত থেকে লাঞ্চের খেলা শুরু করে।

বিরতির পর দুই বাঁহাতি ব্যাটসম্যানই অর্ধশত তুলে নেন। অর্ধশত হাঁকানোর পর তামিমও হাত খুলে খেলতে থাকেন। কিন্তু ইনিংসের ৪২তম ওভারে মমিনুল রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে উঠে যান।

মাঠ ছাড়ার আগে ১০৩ বলে ১০টি চারের সাহায্যে ৭৩ রান করেন মমিনুল। পরবর্তীতে মুশফিকের সাথে জুটি গড়েন তামিম ইকবাল।

দারুন খেলে সেঞ্চুরির পথে এগোতে থাকেন এই টাইগার ওপেনার। সেঞ্চুরি তুলে নিতে একই ওভারে তিন ছয় ও এক চার হাঁকান ওপেনার তামিম। সেই সাথে দলের স্কোর দুইশ ছাড়ান তিনি।

তামিম এক প্রান্ত ধরে দারুন খেলে গেলেও মুশফিক ৩৭ বল খেলে ২১ রান করে সাজঘরে ফিরে যান। চা পান বিরতিতে বাংলাদেশের স্কোর দাঁড়ায় ৫৯ ওভারে ২৬৪ রান তিন উইকেটে।

চা পান বিরতির পর ব্যাট করতে নামেন নি ১৩৬ রানে অপরাজিত থাকা তামিম ইকবাল। ১৮২ বল খেলে নয়টি চার ও সাতটি ছয়ের সাহায্যে এই রান করেন টাইগার ওপেনার।

সাকিব ও মাহমুদুল্লাহ ছোট জুটি গড়ে দলের স্কোর তিনশো পার করেন। তবে সাকিব আল হাসান ৩০ রান করে আম্বুলদানিয়ার বলে লেগ বিফরের ফাঁদে পড়েন।

শেষ খবব পাওয়া পর্যন্ত ৭৫ ওভারে বাংলাদেশের স্কোর ৩১৬ রান পাঁচ উইকেটে। ক্রিজে আছেন মাহমুদুল্লাহ ও লিটন দাস।

 

শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ৯০ ওভারেই টাইগারদের রানবন্যা

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজের আগে লঙ্কান আবহা্ওয়ায় নিজেদের ভালোই ঝালিয়ে নিচ্ছে বাংলাদেশ। আজ মোরাতুয়ার ডি জয়সা স্টেডিয়ামে শ্রীলঙ্কা বোর্ড সভাপতি একাদশের বিপক্ষে দুই দিনের ম্যাচে মাঠে নেমে ৯০ ওভারেই ৭ উইকেট হারিয়ে টাইগারদের ৩৯১ রানবন্যা।

সকালে টসে জিতে বাংলাদেশকে ব্যাটিংয়ে পাঠিয়েছে শ্রীলঙ্কা বোর্ড সভাপতি একাদশ। দিনের শুরুতেই ৯ রান করে আউট হন সৌম্য সরকার। এরপর তামিম-মুমিনুল
সকালের ধাক্কা সমাল দিয়ে সাবধানে ব্যাটিং শুরু করেন।

দিন যত গড়াতে থাকেও দুই ব্যাটসম্যান খোলস ছেড়ে বেরিয়ে আসে। ১৪৩ রানের জুটি গড়ে ১০ চারে ১০৩ বলে ৭৩ রান করে অবসর নেন মুমিনুল। অন্যদিকে তামিম ইকবাল করেন দুর্দান্ত সেঞ্চুরি। ৯ চার ও ৭ ছয়ে ১৮২ বলে ১৩৬ রানের ইনিংস খেলেন তিনি।

তামিম এক প্রান্ত ধরে দারুন খেলে গেলেও মুশফিক ৩৭ বল খেলে ২১ রান করে সাজঘরে ফিরে যান। চা পান বিরতিতে বাংলাদেশের স্কোর দাঁড়ায় ৫৯ ওভারে ২৬৪ রান তিন উইকেটে।

সাকিব ও মাহমুদুল্লাহ ছোট জুটি গড়ে দলের স্কোর তিনশো পার করেন। তবে সাকিব আল হাসান ৩০ রান করে আম্বুলদানিয়ার বলে লেগ বিফরের ফাঁদে পড়েন। ৩টি চার ও ২টি ছক্কার সাহায্যে ৪৩ রান করে আউট হন মাহমুদুল্লাহ। এরপর ১ করে সাজঘরে ফিরেন মিরাজ।

৯০ ওভার শেষে বাংলাদেশের রান স্কোর দাঁড় ৩৯১ ৭ উইকেট হারিয়ে। লিটন দাস ৫৭ ও তাইজুল ৪ রানে অপরাজিত থাকেন।